Posts

Showing posts from May, 2024

জোনাকি পোকা (নিপ্পোনোলুসিওলা ক্রসিয়াটা)

Image
   ল্যামপিরিডি পতঙ্গ পরিবারের একটি গুবরে পোকা বর্গ হল কলিওপ্টেরা। বাংলায় এর নাম তমোমণি। এরা মূলত পাখাওয়ালা গুবরে পোকা যাদেরকে সাধারণভাবে জোনাকি পোকা বলা হয়।    জোনাকী এক প্রকারের পতঙ্গ। এই পতঙ্গের তলপেটে স্বয়ংপ্রভ নীলাভ-সবুজ দ্যুতি থাকে। রাতের অন্ধকারে এদের তারার মত মিটমিট করতে দেখা যায়। এরা সমবেতভাবে এক ছন্দে মিটমিট করতে পারে।    পৃথিবীতে লাল ও সবুজ আলোর জোনাকি পোকা দেখা যায়। জোনাকি পোকা সাধারণত সন্ধ্যার পর থেকে দেখা যায়। অন্ধকারে এরা মিটমিট করে আলো জ্বালতে থাকে।    সাধারনত এদের শুককীটও luminescent হয়। প্রতি মিনিটে জোনাকী পোকা ১২০ বার জ্বলে এবং নেভে। একটি বাতি থেকে উৎপন্ন শক্তির শতকরা ১০ ভাগ আলো আর ৯০ ভাগ উত্তাপ। কিন্তু জোনাকিদের উৎপন্ন শক্তির শতকরা ১০০ ভাগই আলো। একটি জোনাকির শরীরের ওজনের অর্ধেকটাই বাতির ওজন। জোনাকিরা দিনের বেলায়ও জ্বলে-নেভে। সূর্যের আলোর জন্য আমরা দেখতে পাই না।   লেডিবার্ডগুলির মধ্যে প্রায় 97 প্রজাতি রয়েছে, যার মধ্যে 80টি উপকারী। দেশে ২০ প্রজাতির ফায়ারফ্লাইও আবিষ্কৃত হয়েছে ।   জোনাকির খাদ্য: সর্বভুক ,গড় আয...

United States Library of Congress

Image
   বিশ্বের সবচেয়ে বড় লাইব্রেরির নাম হচ্ছে 'ইউনাইটেড লাইব্রেরি অব কংগ্রেস' বা 'আমেরিকান লাইব্রেরি অব কংগ্রেস '। ১৮০০ সালের ২৪ এপ্রিল আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসিতে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।    প্রেসিডেন্ট জন অ্যাডামস যখন সরকারী কার্যাবলী ফিলাডেলফিয়া থেকে ওয়াশিংটন এ স্থানান্তর করেন তখন থেকে এর যাত্রা শুরু ।    স্থাপিত হওয়ার পর থেকেই এই লাইব্রেরিটি বেশ কয়েকবার আক্রমণের শিকার হয়েছিল। কিন্তু সব বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে লাইব্রেরিটি আজ পর্যন্ত বহাল তবিয়তে আছে তো বটেই, কালক্রমে হয়ে উঠেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় লাইব্রেরি।   লাইব্রেরিটি প্রথম যাত্রা শুরু করে ৬ হাজার ৪৮৭টি বই নিয়ে। বর্তমানে এই লাইব্রেরিতে ১৬ মিলিয়ন বই এবং ১২০ মিলিয়ন অন্যান্য তথ্যাদি সংগৃহীত রয়েছে।   বিশাল এই লাইব্রেরীর সংগ্রহে আছে সর্বাধিক সংখ্যক বই, রেকর্ডিংস ,মানচিত্র ও পাণ্ডুলিপি ।এগুলো সংখ্যায় ৩৩,০১২,৭৫০ টি ।   যুক্তরাষ্ট্রের সরকার লাইব্রেরিটিকে মূল্যবান জাতীয় সম্পদ মনে করে।   যতবারই এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ততবারই দ্বিগুণ বই সংগ্রহ করে লাইব্রেরিটি পুনর্নির্মাণ করেছে। ১৮১৪ সালে ব্রিটিশ সে...

পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো ফুল

Image
 পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফুলের নাম রাফলেশিয়া আরনোন্ডি। এটি ‘মৃতদেহ ফুল’ নামেও পরিচিত। এটি ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় ফুল।    আজ থেকে প্রায় সাড়ে চার কোটি বছর আগে এই ফুলটি ফুটতে শুরু করে।    এর ওজন হয় প্রায় ছয় থেকে সাত কিলো।ফিলিপাইনে সর্বোচ্চ ১০০ সেন্টিমিটার ব্যাসের ফুল পাওয়া গিয়েছিল।দৈত্যাকৃতির রাফলেসিয়া টুয়ান-মুডে একটি বিশাল আকারের লাল ফুল। এর পাপড়িতে সাদা দাগ থাকে। খুঁজে পাওয়া ফুলটির ব্যাস ১১১ সেন্টিমিটার (৩.৬ ফুট)।   পরজীবী ফুলটি মৃতদেহের ফুল হিসাবেও পরিচিত। খাওয়ার জন্য পোকামাকড়কে আকর্ষণ করতে এই ফুল পচা মাংসের মত গন্ধ ছড়ায়। এ ফুলের সাধারণত মোটা মোটা পাঁচটি পাপড়ি থাকে। ফুলের ব্যাস দেড় থেকে তিন ফুট পর্যন্ত হয়। কর্পস ফ্লাওয়ারের সৌন্দর্য ফুলপ্রেমীদের মুগ্ধ করলেও এর গন্ধ মানুষকে কোনোভাবেই আকৃষ্ট করে না। কাছে গেলে ফুলটি থেকে পচা মাংসের দুর্গন্ধ আসে। এ কারণেই অনেকে কর্পস ফ্লাওয়ারকে ‘মৃতফুল’ বলে অভিহিত করে। মানুষের কাছে কর্পস ফ্লাওয়ারের গন্ধ দুর্গন্ধ মনে হলেও কীটপতঙ্গের কাছে এটি সুগন্ধি ফুল।     সাধারণত ফুলের পরাগ সংযোগে সাহায্য করে প্রজাপতি, মৌমাছি ইত্যাদ...