বেলি ফুল (Arabian jasmine)
বেলি বা বেলী বা বেল
ইংরেজি: Arabian jasmine
,বৈজ্ঞানিক নাম: __Jasminum sambac__
জেসমিন গণের এক প্রকারের সুগন্ধী সাদা ফুল। এর আরেক নাম মল্লিকা। এই প্রজাতির গাছের উচ্চতা এক মিটার হতে পারে। এদের কচি ডাল রোমশ। পাতা একক, ডিম্বাকার, ৪-৮ সেমি লম্বা হয়। পাতা গাঢ়-সবুজ এবং মসৃণ। গ্রীষ্ম ও বর্ষায় একটি থোকায় কয়েকটি ফুল ফোটে। ফুলের আকার ও গড়ন অনুসারে কয়েকটি জাত আছে।
জাত
তিন জাতের বেল ফুল দেখা যায়। যথা:
১। সিঙ্গেল ধরনের ও অধিক গন্ধযুক্ত।
২। মাঝারি আকার ও ডবল ধরনের।
৩। বৃহদাকার ডবল ধরনের। বংশ বিস্তার
বেল ফুল গুটি কলম, দাবা কলম ও ডাল কলম পদ্ধতির মাধ্যমে বংশবিস্তার করা হয়।
বেলে মাটি ও ভারী এঁটেল মাটি ব্যতীত সব ধরনের মাটিতে বেল ফুল চাষ করা যায়। জমিতে জল সেচ ও জল নিকাশের ব্যবস্থা থাকা ভালো। জমি ৪-৫টি চাষ ও মই দিয়ে ঝুরঝুরা ও সমান করতে হবে। জমি তৈরির সময় জৈব সার, ইউরিয়া, ফসফেট এবং এমপি প্রয়োগ করতে হবে। প্রায় ১ মিটার অন্তর চারা রোপণ করতে হবে। চারা লাগনোর পর ইউরিয়া প্রয়োগ করে পানি সেচ দিতে হবে।শীতকালে ছেঁটে দেয়া লাগে এবং টবেও ভালোভাবে জন্মানো যায়।
আলংকরিক হিসেবে বেল ফুলের ব্যবহার ব্যাপক। মূলত ফুলের তোড়া ও মালা তৈরিতে এর গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার বিস্তৃত। বেলফুলের তেল বেশ সুপরিচিত ও এটি তেল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের বাগানে চাষ করা হয়। স্বল্প জায়গায় লাগানো যায়, সুগন্ধি আছে। অলংকার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
উন্নত গুণমানের ক্ষেত্রে বেলি ফুল তেলের জন্য একটি ভাল উৎস এবং এটি আজও সুগন্ধি শিল্পের উদ্দেশ্যে চাষ করা হচ্ছে
উপকারিতাঃ
>সর্দি ভালো হয়ঃ
বেলির মূল এবং কচি পাতা থেঁতো করে সিদ্ধ করে সেবন করলে বুকে সর্দি বসলে ভালো হয়ে যায়।
>কৃমিঃ
প্রথমে বেলি ফুল চূর্ণ করে গরম পানির সাথে সেবন করলে কৃমি ভালো হয়।
>শ্বাসকষ্ট রোধেঃ
বেলির মূল সিদ্ধ করে এই ক্বাথ সেবন করলে শ্বাসকষ্টে উপকার পাওয়া যায়।
>বমি ভাব দূর করতেঃ
বেলির মূল থেতো করে এই রস আতপ চাল ধোয়া পানি ও চিনি মিশিয়ে খেলে বমি বমি ভাব দূর হয়।
>ক্ষত সারাতেঃ
বেলি পাতা বেটে ক্ষতের উপর প্রলেপ দিলে ক্ষত দ্রুত ভালো হয়।
>ঘুমের সমস্যা হলেঃ
যাদের রাতে ঘুম হয় না তারা বেলির পাতা বেটে পানিতে গুলিয়ে সেবন করুন ঘুম ভালো হবে। ।


.jpg)




Comments
Post a Comment